Tuesday , February 7 2023
Breaking News
Home / Countrywide / খারাপ কাজের সময় বিশেষ স্থানের অঙ্গ কামড়ে ছিড়ে অভিযুক্তকে পাঠালেন হাসপাতালে

খারাপ কাজের সময় বিশেষ স্থানের অঙ্গ কামড়ে ছিড়ে অভিযুক্তকে পাঠালেন হাসপাতালে

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলাধীন ময়না নামক ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে এক প্রতিবন্ধী কিশোরকে জোর করে বলা”ৎকারের করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ভু”ক্তভোগী কিশোর ঐ অভিযুক্ত দপ্তরিকে কামড় দিয়ে তার বিশেষ স্থানের অঙ্গ ছিঁড়ে ফেলে এবং অঙ্গটির বেশিরভাগ অংশ ছিড়ে যায়। রোববার অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বর বিকেলের দিকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাবু মোল্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আজাদ মোল্লা (৩৫)। তিনি বর্নিচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আজাদ একই গ্রামের এক প্রতিবন্ধীকে বলা”/ৎকার করে। এ সময় ঐ কিশোর ক্ষি”প্ত হয়ে আজাদ মোল্লার বিশেষ স্থনের অঙ্গ কামড়ে ছিড়ে ফেলার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা আহ”ত অবস্থায় আজাদকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় সেখান থেকে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাবু মল্যা জানান, আজাদকে আহত অবস্থায় ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

বর্ণিচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার করিম জানান, স্কুলের দপ্তরি আজাদ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে শুনেছি তবে এটা আমাকে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জানিয়েছে। এর বেশি কিছু আমি জানি না।

মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব যিনি বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি ঘটনার বিষয়ে জানান, আমরা এই ঘটনা শোনার পর ওই বাড়িতে পুলিশের একটি দলকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের বাড়িতে যাওয়ার পর ঐ বাড়ির কোনো সদস্যকে পাওয়া যায়নি। আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করার সব রকমের চেষ্টা চালাচ্ছি। পরবর্তিতে আমরা এ বিষয়ে জানাতে পারবো বলে মনে করছি।

About bisso Jit

Check Also

নারীকে রক্ষার পরিবর্তে নিজেই তুলে নিয়ে এমনটা করেছেন, শুনেই তাকে গ্রেপ্তারে সোর্স নিয়োগ করি: পুলিশ

সম্প্রতি আলোচিত এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে। যেখানে স্বামীকে বেঁ’ধে’ ‘রেখে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *